বিকেএমইএ’র ইজিএম ও এজিএম অনুষ্ঠিত

বিকেএমইএ’র এক্সট্রা অর্ডিনারি জোনারেল মিটিং (ইজিএম-২০২১) ও অ্যানুয়াল জেনারেল মিটিং (এজিএম: জুলাই ২০১৯-জুন ২০২০ এবং জুলাই ২০২০-জুন ২০২১) অনুষ্ঠিত হয় ২৮ আগস্ট ২০২১ তারিখে। নারায়ণগঞ্জের চাষাড়ায় সমবায় ব্যাংক ভবনে (বিকেএমইএ’র প্রধান কার্যালয়ের বিপরীত পার্শ্বে) সন্ধ্যা ৭:৩০ টায় ইজিএম এবং এর পরপরই রাত ৮ টায় এজিএম অনুষ্ঠিত হয়। বিকেএমইএ সভাপতি একেএম সেলিম ওসমান, এমপি অনুষ্ঠান দুটিতে সভাপতিত্ব করেন। প্রথম সহ-সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম, দ্বিতীয় সহ-সভাপতি অমল পোদ্দার, সহ-সভাপতি (অর্থ) মোরশেদ সারোয়ার সোহেলসহ তিন শতাধিক সদস্য কারখানার শিল্পেদ্যোক্তাগণ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
বিকেএমইএ পরিচালনা পর্ষদের সদস্য সংখ্যা বৃদ্ধির বিষয়ে ইজিএম এর সভায় গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়। এতে নীট খাতের রাপ্তানি বৃদ্ধি, পলিসি প্রনয়ণ, আন্তর্জাাতিক পর্যায়ে বিকেএমএ’র অবস্থান নিশ্চিত করার লক্ষ্যে পরিচালনা পর্ষদের সদস্য সংখ্যা বর্তমান ২৭ থেকে ৩৫ জনে উন্নীত করার প্রস্তাব দেওয়া হলে উপস্থিত সভাসদবৃন্দ বিস্তারিত আলোচনা শেষে তা চূড়ান্তভাবে অনুমোদন করেন। এছাড়াও পরিচালনা পর্ষদের কাঠামোতে একজন সভাপতি, একজন এক্সিকিউটিভ সভাপতি, সহ-সভাপতি পদ সংখ্যা বৃদ্ধি করার প্রস্তাবও সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়। ইজিএম-এ অনুমোদিত উক্ত পরিবর্তনগুলো বাণিজ্য মন্ত্রণালয় হয়ে রেজিস্ট্রার অব জয়েন্ট স্টক কোম্পানি’র মাধ্যমে মেমোরেন্ডামে অন্তর্ভুক্ত হলেই এটি কার্যকর হবে।
এছাড়াও এজিএম (জুলাই ২০১৯-জুন ২০২০ এবং জুলাই ২০২০-জুন ২০২১) এর অডিটকৃত হিসাব বিবরণী কোনো আপত্তি ছাড়াই সর্বসম্মতিক্রমে সভায় অনুমোদিত হয়। বার্ষিক সাধারণ সভায় উপস্থিত শিল্প মালিকবৃন্দ নীট খাতের স্বার্থে গৃহীত বিকেএমইএ’র চলমান পর্ষদের কার্যক্রমের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তবে করোনা প্রেক্ষাপটে সামনের সময়টুকু নীটওয়্যার খাতের জন্য কঠিন হবে জানিয়ে আন্তর্জাতিক বাজার ব্যবস্থাপনা ও তথ্যের সাথে সামঞ্জস্য রেখে ব্যবসায়ীক কৌশল নির্ধারণের আহ্বান জানান বর্তমান পরিচালনা পর্ষদের নেতৃবৃন্দ। সভায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের সময়োচিত পদক্ষেপ ও প্রণোদনা সহযোগিতার কারণে নীটওয়্যার খাত বিরাট বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা পেয়েছে বলে অভিমত প্রকাশ করা হয়। এছাড়াও আগামী ১২ নভেম্বর বিকেএমইএ পরিচালনা পর্ষদ নির্বাচনে (২০২১-২৩) সকল নীট শিল্প মালিকদের একটি শক্তিশালী পর্ষদ গঠনের জন্য বর্তমান পরিচালনা পর্ষদ আহ্বান জানান। একই সাথে সামনের দিনগুলোতে ব্যাংকিং, কাস্টমস, বন্ড কমিশনারেট, রাজস্ব ও কর বিভাগ এবং চট্টগ্রাম বন্দরের সাথে নীট শিল্প মালিকদের সম্পর্ক উন্নয়নে কাজ করা হবে বলে বিকেএমইএ’র পক্ষ থেকে উদ্যোক্তাদের আশ্বস্ত করা হয়।
সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন পরিচালক মঞ্জুরুল হক, আবু আহমেদ সিদ্দিক, মনসুর আহমেদ, ফজলে শামীম এহসান, মোস্তফা জামাল পাশা, আশিকুর রহমান, খন্দকার সাইফুল ইসলাম, মোস্তফা মনোয়ার ভূঁইয়া, তারেক আফজাল, রাজিব দাস সুজয়, সাহাদাৎ হোসেন ভূঁইয়া, এম আই সিদ্দিক, নাসিমুল তারেক মঈন, রতন কুমার সাহা, নন্দ দুলালা সাহা, কবীর হোসেন, আহমেদ নূর ফয়সাল, ইমরান কাদের তূর্য, মজিবুর রহমান, আকতার হোসেন অপূর্ব, মোহাম্মদ শামসুল আজম, গাজী মো. শহীদুল্লাহসহ বিকেএমইএ’র তিন শতাধিক সদস্য কারখানার মালিকগণ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *